ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদরে অবস্থিত ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালে দায়িত্বে অবহেলা ও রোগীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির অভ্যন্তরীণাকারীর বিরুদ্ধে । ঝিনাইদহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে চক্ষু চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে চরম দুর্ব্যবহারে রোগীদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ওই অভ্যন্তনা কারি জান্নাত আরা রিণি ডিউটির সময় নিয়মিত দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করেন এবং বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে থাকেন । অথচ একজন অভ্যন্তরীণাকারীর কাজ রোগীদের সকল তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জন অফিস কর্মকর্তা জানান, নার্স হিসেবে এই অফিসে যোগদান করলেও তৎকালীন আওয়ামী লীগ আমলের ক্ষমতাধর বোন-জামাইয়ের ক্ষমতা বলে অভ্রান্তনাকারি পদে জোর করে বসে পড়েন। এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে গত ১৫ই মার্চ স্থানীয় এক সাংবাদিক মেহেদী হাসান তার চোখের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে যান এবং ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার সময় অভ্রান্তনাকারী জান্নাত আরা রিনি কে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে দেখেন যা সাংবাদিকের ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেকের দৃষ্টি তে ধরা পড়ে। এ বিষয়ে সাংবাদিক মেহেদী হাসান হাসপাতালের এডমিন মিলন হোসেনের কাছে অভিযোগ করেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে এডমিন, জান্নাত আরা রিনিকে ডেকে পাঠান। অভ্যন্তনাকারীর কাছে বিষয়টি জানতে চান , এর
পরিপ্রেক্ষিতে এডমিন মিলন হোসেনের সামনেই সাংবাদিক এবং একাধিক রোগীর সাথে প্রচন্ড নোংরা ভাষায় কথা বলতে থাকেন। সাংবাদিক ভিডিও করতে গেলে সাংবাদিকের ফোনটি নিয়ে ভেঙে ফেলেন এবং হাসপাতালের একাধিক স্টাফের সামনেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন এবং বলেন আমার বিপক্ষে গেলেই সকলকে চরম মূল্য দিতে হবে। এ বিষয়ে মেহেদী হাসান জানান, আমি কর্তৃপক্ষের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছি এবং থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। চক্ষু হাসপাতালের এডমিন মিলন হোসেন বলেন যেহেতু বিষয়টি আমার সামনেই হয়েছে এবং আমার স্টাফ জান্নাত আরা রিনি যে অন্যায় করেছেন নিয়ম অনুযায়ী এই হাসপাতালপির সভাপতি মান্যবর জেলা প্রশাসক
মহোদয়ের কাছে আমরা লিখিত অভিযোগে জানাবো নিশ্চয়ই ডিসি স্যার এ বিষয়ে সঠিক ব্যবস্থা নিবেন । জান্নাত আরা রিনির মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।