তানভীর সরদারঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালি ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, জেলা যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব রনক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেলসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
সমাবেশে বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দলের আন্দোলন-সংগ্রাম এবং দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দলের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খান বলেন, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার ঘোষণা এবং একই সময়ে জামায়াত-এনসিপির লংমার্চ কর্মসূচিকে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর পেছনে গভীর রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলছুট ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলে ফেরার বিষয়ে জানতে চাইলে রাশেদ খান বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যেসব নেতাকর্মী ভুল বুঝে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কাজ করেছেন, তাঁরা অনুশোচনা প্রকাশ করলে দলীয় হাইকমান্ড তাঁদের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।
তবে যারা সরাসরি দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের দলে ফেরানোর বিষয়ে এখনো কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালি ও সমাবেশকে ঘিরে ঝিনাইদহ শহরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।