• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
হরিনাকুন্ডুতে ভ্রাম্যমান আদালতে এক জনের এক মাসের কারাদণ্ড মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণ চক্রান্তের প্রতিবাদে ২৭ জুলাই ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার ডাক: পঞ্চগড়ে শিশুস্বর্গের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ডিজিটাল ট্রাফিক জরিমানা আদায়ে নতুন যুগের সূচনা, ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের চুক্তি স্বাক্ষর ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত র‍্যাফেল ড্র-এর প্রথম পুরস্কার বিজয়ীর হাতে ফ্রিজ তুলে দিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাড. আব্দুল মজিদ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৩০ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ডাকাত সর্দারসহ আন্তঃবিভাগীয় ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য অপসারণের চেষ্টার প্রতিবাদে ৩৯ বিশিষ্ট নাগরিকের যৌথ বিবৃতি মধুখালীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ

তেঁতুলিয়ায় নারী উদ্যোক্তা রিপার উপহারে শতাধিক অসহায় শিশুর মুখে ঈদের হাসি

মিজানুর রহমান মিন্টু, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ / ২৭১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

মিজানুর রহমান মিন্টু, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ

ঈদ মানেই আনন্দ,ঈদ মানেই খুশি। কিন্তু সমাজের অনেক অসহায় ও দরিদ্র শিশুর কাছে এই আনন্দ অনেক সময়ই অধরা থেকে যায়। সেইসব শিশুদের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার নারী উদ্যোক্তা ফারহানা কাউসার রিপা। তার এই মানবিক উদ্যোগে এবার ঈদের আনন্দে সামিল হতে পেরেছে শতাধিক অসহায় শিশু।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বুধবার আজ (১৮ মার্চ) দুপুরে তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মমিনপাড়া এলাকায় আয়োজন করা হয় এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের। সেখানে প্রায় শতাধিক গরিব ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে নতুন ঈদের পোশাক বিতরণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুদের নিয়ে কেক কেটে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন নারী উদ্যোক্তা রিপা। এসময় শিশুদের উচ্ছ্বাস আর হাসিতে পুরো এলাকা যেন উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। পরে একে একে শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন ঈদের পোশাক৷ নতুন পোশাক পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে শিশুরা।
নতুন জামা পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিশু মিম আক্তার,সে জানায়,রিপা আন্টি আমাদের ঈদের নতুন জামা সব সময় পাই না। আজ নতুন জামা পেয়ে খুব ভালো লাগছে।
আরেক শিশু আমির হামজা জানায়,আমি ঈদের দিনে এই জামা পড়বো। আজকে খুব খুশি লাগছে। শুধু শিশুরাই নয়, তাদের অভিভাবকরাও এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অভিভাবক নাসিমা বেগম বলেন, আমাদের মতো অসহায় মানুষের জন্য কেউ এভাবে ভাবে না। আমাদের বাচ্চাদের ঈদের আনন্দ দেওয়ার জন্য আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ।
স্থানীয়রা জানান, সমাজের বিত্তবানরা যদি এভাবে এগিয়ে আসেন তাহলে অসহায় মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।
নারী উদ্যোক্তা ফারহানা কাউসার রিপা বলেন, ঈদের আনন্দ সবার জন্য। কিন্তু অনেক শিশু আছে যারা নতুন কাপড় ছাড়াই ঈদ কাটায়। তাদের কথা চিন্তা করেই আমার এই ছোট্ট চেষ্টা। ভবিষ্যতেও আমি অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই।
তিনি আরও বলেন,সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসা উচিত। সবাই যদি নিজের অবস্থান থেকে একটু করে সাহায্য করি তাহলে সমাজের অনেক অসহায় মানুষ উপকৃত হবে। এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd