• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
হরিণাকুন্ডুতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মদিনার জামাত মালদ্বীপ শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত। তেঁতুলিয়ার সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আশরাফুল ইসলাম পেলেন ‘মৃত্তিকা পদক-২০২৬ কাজী হযরত আলীর লাইসেন্স বাতিল ও শাস্তির দাবিতে তেঁতুলিয়ায় মানববন্ধন ঝিনাইদহে রেললাইন ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন হরিণাকুণ্ডুতে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা নিষ্ঠা ও সততার পরীক্ষায়: হরিণাকুন্ডু থানার নতুন ওসি মোঃ মাসুম খান তেঁতুলিয়ায় র‍্যালি ও আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত মধুখালীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হলদে পাখি ও মাধ্যমিকে গার্লস গাইড গঠনে মতবিনিময় সভা তেঁতুলিয়ায় বাবার স্মরণে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৬৫০টি গাছের চারা বিতরণ করলেন ছেলে সাইফুল ইসলাম

ভাঙ্গুড়ায় তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা ঝুঁকিতে

 মোঃমেহেদী হাসান ভাঙ্গুড়া, পাবনাঃ / ৩৭০ Time View
Update : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

 মোঃমেহেদী হাসান ভাঙ্গুড়া, পাবনাঃ

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার কৃষকরা এখন শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি। পৌষ মাসের শুরু থেকেই তীব্র ঠাণ্ডা ও কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। দিনের পর দিন সূর্যের আলো না পাওয়া এবং তাপমাত্রা কম থাকায় চারা পর্যাপ্ত খাদ্য তৈরি করতে পারছে না। ফলে শিকড় দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, গোড়ায় শিশির জমে পচন ধরছে, আর অনেক স্থানে চারা হলুদ হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে।মাঠ পরিদর্শন করে দেখা গেছে, কৃষকেরা নিচু জমিতে বীজতলা তৈরি করেছেন। সাধারণত ১০-১২ দিনের মধ্যে এসব চারা মূল জমিতে রোপণ করা হওয়ার কথা। কিন্তু বর্তমান আবহাওয়ায় সেই পরিকল্পনা আপাতত বিপন্ন।বড়পুকুরিয়া গ্রামের কৃষক আ.ছালাম জানান, এক সপ্তাহ ধরে কুয়াশা ও শীতে আমার বীজতলা মারাত্মক ক্ষতির মুখে।
যদি আবহাওয়া আরো কয়েক দিন এমন থাকে, পুরো বীজতলা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
রায়পাড়া গ্রামের আ.হান্নান বলেন, চারা দুর্বল হয়ে হলুদ হয়ে গেছে। এতে ভবিষ্যৎ আবাদ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। আমরা নানা কৌশল অবলম্বন করছি, কিন্তু পুরো ক্ষতি ঠেকানো যাচ্ছে না।কৃষকরা বীজতলা রক্ষার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সুলতান পুর গ্রামের রেজাউল জানান, ভোরে লাঠি দিয়ে চারা থেকে জমে থাকা শিশির ঝরানো হচ্ছে। কেউ কেউ রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন, আবার কেউ গরম পানি ছিটাচ্ছেন।জাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, ছত্রাকনাশক ব্যবহার করলেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না, বরং খরচ বেড়ে গেছে।কৃষক রফিকুল বলেন, অনেক বীজতলা ইতিমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে।নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে গেলে খরচ অনেক বেড়ে যাবে, যা ছোট ও মাঝারি কৃষকদের জন্য বড় চাপ।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শারমিন জাহান বলেন, তীব্র শীতে বীজতলায় কোল্ড ইনজুরি ও ছত্রাক আক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তাই আমরা পলিথিন ব্যবহার, সকালে পানি পরিবর্তন এবং জমে থাকা শিশির ঝরানোর পরামর্শ দিচ্ছি। কৃষকদের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বড় ধরনের ক্ষতি ছাড়াই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। তবে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আরো কয়েক দিন কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকতে পারে। কৃষকেরা আশঙ্কা করছেন, সময়মতো চারা রোপণ ব্যাহত হলে বোরো ধানের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ছবি ক্যাপশন:বীজ তলা খানমরিচ এলাকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd