• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৫৪ তম মৃতুবার্ষিকী স্মরণে ঝিনাইদহে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শৈলকুপার ধলহরাচন্দ্র ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ, ৩৫০ টাকার দাখিলায় ২,৫০০ টাকা আদায়! বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপের স্পিকারের সাক্ষাৎ, সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহের মধুহাটিতে জামায়াতের মিছিল ও আলোচনা সভা ইয়াংছায় প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন, এতিম শিশুদের উপহার দিল সেনাবাহিনী লামার ফাঁসিয়াখালীতে বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্র ও স্কুলের দপ্তরির মৃত্যু শালিখায় শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা ও নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত; অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষের ঢল ইয়াংছায় খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে কুরআন শরীফ বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে লং মার্চ সফল করতে মধুহাটীতে জামায়াতের জনশক্তি সমাবেশ ঝিনাইদহে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান

মাগুরার শ্রীপুরে সরকারি খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, নীরব প্রশাসন?

বিশেষ প্রতিনিধিঃ / ১০৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ বাজারে সরকারি খাস জমি দখল করে অবৈধভাবে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। গয়েশপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পাশের পশ্চিম দিকে এ নির্মাণকাজ চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাস জমিতে একটি স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। এ নির্মাণকাজের পেছনে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। তবে এ অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিষয়টি মাগুরা জেলা প্রশাসক ও খুলনা বিভাগীয় কমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়ার পরও উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অন্যদিকে, মাগুরা জেলায় সরকারি জমি থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলার খবর রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে সরকারি খাস জমিতে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সরকারি জমি রক্ষায় প্রশাসনের পদক্ষেপ কোথায়?

সরকারি খাস জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়ে থাকলে তা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় তদন্তের দাবি উঠেছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি জমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ভবিষ্যতে অন্যরাও একইভাবে সরকারি জমি দখলে উৎসাহিত হতে পারে কি না।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সরকারি খাস জমি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd