• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৫৪ তম মৃতুবার্ষিকী স্মরণে ঝিনাইদহে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শৈলকুপার ধলহরাচন্দ্র ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ, ৩৫০ টাকার দাখিলায় ২,৫০০ টাকা আদায়! বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপের স্পিকারের সাক্ষাৎ, সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহের মধুহাটিতে জামায়াতের মিছিল ও আলোচনা সভা ইয়াংছায় প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন, এতিম শিশুদের উপহার দিল সেনাবাহিনী লামার ফাঁসিয়াখালীতে বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্র ও স্কুলের দপ্তরির মৃত্যু শালিখায় শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা ও নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত; অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষের ঢল ইয়াংছায় খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে কুরআন শরীফ বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে লং মার্চ সফল করতে মধুহাটীতে জামায়াতের জনশক্তি সমাবেশ ঝিনাইদহে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান

​শিক্ষকের মর্যাদা ও মানসম্মত শিক্ষা: টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনের মূল ভিত্তি

Reporter Name / ৬৬ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

​শিক্ষকের মর্যাদা ও মানসম্মত শিক্ষা: টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনের মূল ভিত্তি
​আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকের অধিকার ও মর্যাদার স্বীকৃতি এবং সমাজ নির্মাণে তাঁদের অসামান্য অবদানকে পুনর্মূল্যায়ন করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে এই দিনটি। ১৯৯৪ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে পালিত হয়ে আসা এই দিবসটির মূল চেতনা কেবল একদিনের আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষার সার্বিক মান বৃদ্ধি ও শিক্ষকের মর্যাদা নিশ্চিতকরণের বাস্তব অঙ্গীকার প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।
​একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গঠনের মূল কারিগর হলেন শিক্ষক। তিনি কেবল পাঠ্যবইয়ের তথ্য প্রদানকারী নন, বরং শিক্ষার্থীর চিন্তাশক্তি, নৈতিক বোধ, মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলেন। বর্তমান যুগে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যাপক প্রসার ঘটলেও মানবিক মূল্যবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তা এবং চরিত্র গঠনের ক্ষেত্রে শিক্ষকের বিকল্প এখনো গড়ে ওঠেনি। শিক্ষকই শিক্ষার প্রধান চালিকাশক্তি, যার ওপর ভর করে টিকে থাকে সমতা, অন্তর্ভুক্তি ও সার্বজনীন শিক্ষার অঙ্গীকার।
​তবে এই মাহেন্দ্রে আমাদের গভীর ভাবনার অবকাশ রয়েছে। বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষত বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষাব্যবস্থা আজ নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যোগ্য শিক্ষকের অভাব, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগের সংকট, সীমিত পারিশ্রমিক এবং পেশাগত নিরাপত্তার অভাব শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করছে। পরিবর্তনশীল এই বিশ্বে শিক্ষককে কেবল তথ্যের উৎস না হয়ে রূপ নিতে হবে পথপ্রদর্শকে—যিনি শিক্ষার্থীকে তথ্য যাচাই, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং সহনশীলতা শেখাবেন। আর এর জন্য প্রয়োজন শিক্ষকদের নিয়মিত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ।
​আমাদের স্মরণে রাখা প্রয়োজন, শিক্ষককে সম্মান জানানোর অর্থ হলো একটি সমাজের ভবিষ্যৎ নির্মাণকে সম্মান জানানো। শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা, ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা ও পেশাগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করার অর্থ শিক্ষার মানের বিকাশ এবং দেশের সমৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করা। বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আহ্বান হোক—আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষকতার পেশাকে মর্যাদাপূর্ণ, আকর্ষণীয় ও টেকসই করার মাধ্যমে একটি আলোকিত আগামী গড়ে তোলা।
​সম্পাদনায়:
অধ্যক্ষ নওয়াব আলী
মাগুরা কৃষি ইনস্টিটিউট
রামপুর, বুনাগাতী, শালিখা, মাগুরা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd