• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
৫৪ তম মৃতুবার্ষিকী স্মরণে ঝিনাইদহে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শৈলকুপার ধলহরাচন্দ্র ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ, ৩৫০ টাকার দাখিলায় ২,৫০০ টাকা আদায়! বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপের স্পিকারের সাক্ষাৎ, সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহের মধুহাটিতে জামায়াতের মিছিল ও আলোচনা সভা ইয়াংছায় প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন, এতিম শিশুদের উপহার দিল সেনাবাহিনী লামার ফাঁসিয়াখালীতে বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্র ও স্কুলের দপ্তরির মৃত্যু শালিখায় শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা ও নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত; অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষের ঢল ইয়াংছায় খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে কুরআন শরীফ বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে লং মার্চ সফল করতে মধুহাটীতে জামায়াতের জনশক্তি সমাবেশ ঝিনাইদহে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান

৩১ বছরের মায়ার বন্ধন ছিন্ন: অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় ‘মা’ তুল্য আখিতারা ম্যামকে বিদায়

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, স্টাফ রিপোর্টার ঝিনাইদহঃ / ১৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

 

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, স্টাফ রিপোর্টার ঝিনাইদহঃ

একটি বিদায় মানেই কি শুধু চলে যাওয়া? নাকি কয়েক প্রজন্মের হৃদয়ে নাম লিখে দিয়ে যাওয়া? কোটচাঁদপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে আজ সেই প্রশ্নেরই উত্তর মিলল এক আবেগঘন পরিবেশে। দীর্ঘ ৩১ বছরের বর্ণিল শিক্ষকতা জীবনের ইতি টেনে অবসরে গেলেন সবার প্রিয়, পরম শ্রদ্ধেয় সহকারী শিক্ষক আখিতারা খানম ম্যাম।

১৯৮৫ সালে যখন তিনি এই বিদ্যালয়ে পা রেখেছিলেন, তখন হয়তো ভাবেননি এই আঙিনাই হয়ে উঠবে তাঁর আপন ঘর। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনের আলো জ্বেলেছেন তিনি। গত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ছিল তাঁর কর্মজীবনের শেষ দিন। আর এই দিনটি হয়ে থাকল কোটচাঁদপুর বিদ্যালয়ের ইতিহাসে

তার সহকর্মীরা বলেন “তিনি শুধু আমাদের সহকর্মী ছিলেন না, ছিলেন বটবৃক্ষের মতো ছায়া। আমাকে নিজের সন্তানের মতো স্নেহ করতেন, যা কোনোদিন ভোলার নয়।”

সাধারণত বিদায় অনুষ্ঠান মানেই প্রথাগত বক্তৃতা আর ক্রেস্ট প্রদান। কিন্তু আখিতারা ম্যামের বিদায় সংবর্ধনা ছিল একেবারেই আলাদা। সহকর্মী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী—সবার চোখেই ছিল জল। প্রিয় অভিভাবককে হারানোর বেদনা যেন গ্রাস করেছিল পুরো বিদ্যালয়কে। একের পর এক সিনিয়র সহকর্মীদের বিদায় নিতে দেখে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন বর্তমান শিক্ষকরাও।

শিক্ষকতা জীবন থেকে অবসর নিলেও তিনি আজীবন বেঁচে থাকবেন তাঁর ছাত্রদের হৃদয়ে, সহকর্মীদের স্মৃতিতে। তাঁর এই অবসরকালীন জীবন যেন সুস্থতা, শান্তি আর আনন্দে কাটে—এটাই এখন সবার প্রার্থনা।মহান আল্লাহ্ তায়ালা ম্যামের অবসর জীবনকে বরকতময় করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd