প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা কষ্ট করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করেন। সেই মুদ্রা দিয়ে আমরা জ্বালানি তেল ক্রয় করে থাকি। কাজেই, প্রবাসী ভাই-বোনদের কষ্টার্জিত অর্থে কেনা তেল যেন পাচার না হয়, সেটা আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।
জ্বালানি তেলের দাম পুনর্মূল্যায়নের সম্ভাবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জ্বালানি সংকটের ভুক্তভোগী এখন পুরো বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে গেলে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছি। তখন দেশের বাজারেও জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা যাবে। এমনকি তেলের দাম যা ছিল, তার চেয়েও কম নির্ধারণ করার সুযোগ থাকলে সেটা করা হবে।
বোরো মৌসুমে বিদ্যুতের লোডশেডিং কমবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষকের কথা চিন্তা করে সরকার বোরো মৌসুমে প্রান্তিক এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আগামী দিনে কৃষকদের পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক সেচ ব্যবস্তা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছি আমরা।
এর আগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুহাম্মদ আবু বকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন প্রিন্স, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।