• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মাগুরার আমুড়িয়া কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ বি.এম শাহজাহান সিরাজের ইন্তেকাল মাগুরায় সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মাসিক অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত শহীদ আবুল হোসেনের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী দেবিদ্বারে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‌্যালি ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত ৫৪ তম মৃতুবার্ষিকী স্মরণে ঝিনাইদহে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শৈলকুপার ধলহরাচন্দ্র ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ, ৩৫০ টাকার দাখিলায় ২,৫০০ টাকা আদায়! বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপের স্পিকারের সাক্ষাৎ, সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহের মধুহাটিতে জামায়াতের মিছিল ও আলোচনা সভা ইয়াংছায় প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন, এতিম শিশুদের উপহার দিল সেনাবাহিনী লামার ফাঁসিয়াখালীতে বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্র ও স্কুলের দপ্তরির মৃত্যু

ক্যান্সারের সঙ্গে জীবনযুদ্ধ: অর্থের অভাবে থমকে গেছে ২৩ বছরের পরশ দাসের চিকিৎসা, সমাজের সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতা কামনা

তানভীর সরদারঃ / ১৬৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

তানভীর সরদারঃ
মাত্র ২৩ বছর বয়সেই ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধির সঙ্গে জীবনযুদ্ধে লড়ছেন পরশ দাস। যে বয়সে ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখার কথা, সেই বয়সেই হাসপাতালের বিছানায় জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছেন তিনি। অর্থের অভাবে আজ তার চিকিৎসা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম।
ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দাশপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন পরশ দাস। তার বাবা গোপাল দাশ ও মা সুনিতা দাশ। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে—তিন বোন ও দুই ভাই—পরশ সবার ছোট।
অভাব-অনটনের সংসারে ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষ পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তাকে লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হয়। পরে জীবিকার তাগিদে একটি স্বর্ণের দোকানে কাজ শুরু করেন। অন্যদিকে, তার বাবা গোপাল দাশ দীর্ঘদিন ধরে বাঁশের চাটাই, ঝুড়ি ও বাঁশের বেড়া তৈরির কাজ করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।
কিছুদিন আগে পাইলসের সমস্যার কারণে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন পরশ। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। এরপর উন্নত চিকিৎসার আশায় তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ধার-দেনা, আত্মীয়-স্বজনের সহযোগিতা এবং শেষ সম্বল জায়গা-জমি বিক্রি করেও এতদিন চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এখন তাদের আর কোনো সামর্থ্য অবশিষ্ট নেই।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, পরশকে প্রতি ২১ দিন পরপর কেমোথেরাপি নিতে হয়। কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় ওষুধ মিলিয়ে প্রতিবার প্রায় ৩৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়। এই ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অর্থের অভাবে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে তার জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা।
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে পরশ দাস ও তার পরিবার সমাজের মানবিক, সহৃদয় ও বিত্তবান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। পরশ আবারও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান। তিনি বাঁচতে চান, পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চান, অসমাপ্ত স্বপ্নগুলো পূরণ করতে চান।
সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক ও মানবিক সংগঠন, প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সকল হৃদয়বান মানুষের প্রতি বিনীত আহ্বান—আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও একটি তরুণ প্রাণকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে।
সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম
বিকাশ/নগদ: ০১৯৬৬১৪৪৩৪৬ (পরশ দাস – ব্যক্তিগত)
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। আসুন, আমরা সবাই মিলে পরশ দাসের পাশে দাঁড়াই। আপনার একটি সহযোগিতাই হতে পারে একটি পরিবারের নতুন করে বাঁচার আশার আলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd