মোঃ রাশিদুল ইসলাম,মাগুরা প্রতিনিধিঃ
খুব শীঘ্রই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হবে–সরকারের তরফ থেকে এমন ঘোষণার পরই প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে এখন বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বলা চলে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ২ নং আমলসার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন বেশ সরগরম। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ,দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা এবং সাধারণ ভোটারদের জল্পনা-কল্পনায় নতুন নতুন নাম যুক্ত হচ্ছে।এই নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যে বর্তমানে স্থানীয় রাজনীতি ও জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বহুল পরিচিত সমাজসেবী ও ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ মোঃ মেহেদী বিশ্বাস। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে তৃণমূলের অনেকে তাঁকে আসন্ন ২ নং আমলসার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করেন,২ নং আমলসার ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে মোঃ মেহেদী বিশ্বাসের এর মতো একজন যোগ্য,সৎ এবং দূরদর্শী মানুষই আমলসার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে উপযুক্ত। তাঁর সমর্থকদের মতে, মোঃ মেহেদী বিশ্বাস এর সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো তাঁর সামাজিক অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সাথে সুগভীর সম্পর্ক। সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে আসা সম্ভাব্য এই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী অত্যন্ত ভদ্র, অমায়িক এবং মৃদুভাষী মানুষ হিসেবে পরিচিত।এই সদালাপী ব্যক্তিত্বই তাঁকে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তাঁর পরিচ্ছন্ন ইমেজ তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
আমলসার ইউনিয়নের অনেক সচেতন নাগরিক মনে করেন একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে হতে হয় জনবান্ধব এবং প্রশাসনিক দক্ষতা সম্পন্ন।মোঃ মেহেদী বিশ্বাসের এর সেই সক্ষমতা রয়েছে।দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে জড়াননি,বরং সবাইকে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা লালন করেছেন। তিনি একজন পরিশ্রমী রাজনৈতিক নেতা। এমন একটি ইতিবাচক ইমেজের কারণে তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ভোটারদের অনেকে মনে করছেন, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং ইউনিয়ন সমস্যা নিরসনে তিনি যদি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান, তবে আমলসার ইউনিয়নের একটি দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
ইউনিয়ন নির্বাচনের সমীকরণে জনপ্রিয়তাই জয়ের মূল চাবিকাঠি। মাঠ পর্যায়ে তাঁর যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তাতে অনেকে মনে করছেন, তিনি যদি শেষ পর্যন্ত প্রার্থী হন, তবে নির্বাচনের ফলাফল তাঁর অনুকূলে আসার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল থেকে এই দাবি ওঠার পেছনে প্রধান কারণ হলো, স্থানীয় রাজনীতিতে পরিবর্তন ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান সময়ে দলের চেয়েও ব্যক্তিগত স্বচ্ছতা ও জনপ্রিয়তাকে ভোটাররা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দাঁড়ালে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা প্রবল।
যদিও এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবুও তৃণমূলের এই জোরালো দাবি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আমলসার ইউনিয়নের মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন ও একটি আধুনিক ইউনিয়ন বিনির্মাণের স্বপ্নপূরণে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়। আর তাঁর দল বিএনপিও তাঁকে সমর্থন করে কিনা সেটাও দেখার বিষয়। অনেকে মনে করছেন, তৃণমূলে মোঃ মেহেদী বিশ্বাস এর জনপ্রিয়তাই শেষ পর্যন্ত তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নিয়ে আসবে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট—তারা এমন একজন প্রার্থী খুঁজছেন যিনি জনগণের দুঃখ-কষ্ট বোঝেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন। সেই প্রত্যাশার সাথে মোঃ মেহেদী বিশ্বাসের রাজনৈতিক জীবন ও ব্যক্তিগত আচরণের মিল থাকায় তাঁকে ঘিরে ভোটারদের আগ্রহের পারদ ক্রমশই চড়ছে। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকলে যে বেশ জমজমাট হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায়।
তরুণ বয়সেই সংগঠনচর্চা, নেতৃত্বগুণ, এবং কৌশলী সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে দলে নিজের অবস্থান দৃঢ় করেছেন। বর্তমানে তিনি আমলসার ইউনিয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে চলছেন। তার কর্মীবান্ধব আচরণ, সহজ যোগাযোগব্যবস্থা এবং নিয়মিত উপস্থিতিই তাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে। উপমহাদেশীয় রাজনীতির ধারায় পারিবারিক গৌরব রাজনৈতিকভাবে মোঃ মেহেদী বিশ্বাস কোনো নবাগত নন।
রাজনীতির এই পারিবারিক উত্তরাধিকার তাকে আরও দায়িত্বশীল এবং সচেতন করে তুলেছে। তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্য ও শুদ্ধ রাজনৈতিক চর্চা তাকে ভোটারদের কাছে একজন ভরসার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
জনসংযোগ ও জনগণের হৃদয়ে অবস্থান মেহেদী বিশ্বাস শুধু দলীয় অনুষ্ঠানে নয়, নানা সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। রমজান মাসজুড়ে দোয়া মাহফিল, ইফতার বিতরণ, ঈদ উপহার, বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা কর্মসূচির মতো আয়োজনে তার উপস্থিতি স্থানীয় জনগণের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে তিনি ভোটারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেছেন।
তিনি তরুণদের মাঝে স্বপ্ন দেখান, প্রবীণদের কাছ থেকে নীতিনৈতিকতার শিক্ষা নেন এবং প্রতিটি কর্মসূচিতে কর্মীদের সম্মান দিয়ে পাশে রাখেন। এ কারণে বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠন থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ পর্যন্ত সবার মুখে এখন একটি নাম—মোঃ মেহেদী বিশ্বাস।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সম্মুখসারির সৈনিক ২০২৪ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সরব ও সম্মুখসারির নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মোঃ মেহেদী বিশ্বাস । আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারির মধ্যেও তিনি তার এলাকাভিত্তিক কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন,তৃণমূলকে সংগঠিত করেছেন এবং নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রেখেছেন। তাঁর সাহসিকতা, নেতৃত্বদক্ষতা এবং সংগঠনী নৈপুণ্য তাকে আজ আমলসার ইউনিয়ন অন্যতম সম্ভব্য প্রার্থী প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
প্রতিবেদকের সাথে একান্তকারী এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, “মানুষে