• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
শহীদ আবুল হোসেনের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী দেবিদ্বারে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‌্যালি ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত ৫৪ তম মৃতুবার্ষিকী স্মরণে ঝিনাইদহে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শৈলকুপার ধলহরাচন্দ্র ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগ, ৩৫০ টাকার দাখিলায় ২,৫০০ টাকা আদায়! বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সঙ্গে মালদ্বীপের স্পিকারের সাক্ষাৎ, সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব লংমার্চ সফল করতে ঝিনাইদহের মধুহাটিতে জামায়াতের মিছিল ও আলোচনা সভা ইয়াংছায় প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন, এতিম শিশুদের উপহার দিল সেনাবাহিনী লামার ফাঁসিয়াখালীতে বজ্রপাতে মাদ্রাসাছাত্র ও স্কুলের দপ্তরির মৃত্যু শালিখায় শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা ও নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত; অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষের ঢল ইয়াংছায় খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে কুরআন শরীফ বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আইসি জামিল আহমেদ যোগদানের পর বদলে গেছে আইনশৃঙ্খলার চিত্র, ডাকাতির ঘটনা ছাড়াই পার হলো টানা দুই ঈদ

মুহাম্মদ এমরান, লামা(বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ / ১৪১ Time View
Update : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

মুহাম্মদ এমরান, লামা(বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ

পার্বত্য বান্দরবানের লামা থানাধীন ইয়াংছা-কুমারী সড়কে প্রথমবারের মতো ডাকাতির ঘটনা ছাড়া পার হলো টানা দুই ঈদ।
একসময় যে সড়কটি ছিলো ডাকাতদের আস্তানা আজ সেই সড়ক দিয়ে নির্ভয়ে চলাফেরা করতেছে মানুষ।
কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের আইসি চৌকস অফিসার এস.আই জামিল আহমেদ যোগদান করার পর থেকে একের পর এক সফল অভিযানে ডাকাত দলের সদস্যদের আটক করে জেল হাজতে পেরণ করার পর এই প্রথম ডাকাতির ঘটনা ছাড়া পার হয়েছে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব দুইটা ঈদ। মানুষের মুখে মুখে এস.আই জামিল আহমেদসহ সঙ্গীয় ফোর্সের সুনাম।
একের পর এক সফল অভিযান এবং জনসাধারণের নিরাপত্তায় চৌকস অফিসার জামিল আহমেদ এর সাথে নেতৃত্ব দেন এএসআই মোঃ মনসুর রহমান, মোঃ আনোয়ার হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা।
পরপর কয়েকটি সফল অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত দলের সদস্যদের আটক করে জেল হাজতে পেরণ এর পাশাপাশি নিয়মিত ওয়ারেন্ট তামিল এবং অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়ের, অবৈধ বালুখেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে সম্প্রতি ০৫ টি এর আগে ২ টি সহ মোট ০৭ টি শ্যালো মেশিন জব্দ করেন এ চৌকস অফিসার।
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে ডাকাতি ও রাতের চুরি নিয়ে আতঙ্কে থাকা এলাকাবাসীর মাঝে এখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে এসেছে। কুমারী পুলিশ ক্যাম্পে আইসি জামিল আহমেদ যোগদানের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর এলাকায় পুলিশের টহল বৃদ্ধি, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার কারণে বদলে যেতে শুরু করেছে পুরো এলাকার চিত্র।
স্থানীয়দের দাবি, আগে ঈদ এলেই সাধারণ মানুষের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করতো। ঈদের ছুটিতে অনেক পরিবার বাড়ি গেলে চুরি-ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যেত। রাত নামলেই বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন। কিন্তু আইসি জামিল আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে উঠেছে। টানা দুইটি ঈদ কোনো বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে পার হয়েছে, যা এলাকাবাসীর কাছে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক ও প্রশংসনীয়।
জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই আইসি জামিল আহমেদ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নিয়মিত রাতভর পুলিশি টহল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসানো, সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে রাখা এবং মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান জোরদার করার ফলে অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে। পাশাপাশি সাধারণ জনগণের অভিযোগ দ্রুত শোনা এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় মানুষের আস্থা বেড়েছে পুলিশের প্রতি।
এলাকার ব্যবসায়ী, প্রবাসী পরিবার ও সাধারণ জনগণ জানান, এখন তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ অনুভব করছেন। বিশেষ করে ঈদের সময় পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তে চলাফেরা ও বাড়িতে অবস্থান করতে পারছেন। অনেকে মনে করছেন, পুলিশের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণেই এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, একজন দায়িত্বশীল ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তার সঠিক নেতৃত্ব একটি এলাকার সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বদলে দিতে পারে। কুমারী ক্যাম্পের বর্তমান পরিস্থিতি তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে এবং এলাকায় অপরাধ দমনে পুলিশ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
এদিকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কারণে আইসি জামিল আহমেদ ইতোমধ্যে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেকেই তাঁর কর্মকাণ্ডের ইতিবাচক মূল্যায়ন করছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনগণের সহযোগিতা ও পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কুমারী ক্যাম্প এলাকা আরও শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ অঞ্চলে পরিণত হবে।
এ বিষয়ে আইসি জামিল আহমেদ বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। এই ঈদে বিশেষত বান্দরবান পার্বত্য জেলার নবাগত মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে আমরা তৎপরতা বাড়াই এবং মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে কুরবানীর পশু বহনসহ, কুরবানীর পশুর বেচাকেনার টাকা অনায়সে বহন করে যাতায়াত করতে পারে সেদিকে আমাদের নজর ছিল। এছাড়া এই এলাকার আত্মস্বীকৃত ডাকাতদেরকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডমিন), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম), সহকারী পুলিশ সুপার,লামা সার্কেল এবং অফিসার ইনচার্জ, লামা থানা মহোদয়দের অব্যাহত তদারকীর কারণে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই এ বছরের দুটি ঈদ কেটেছে। এভাবে পর্যাপ্ত লজিস্টিক সাপোর্ট এবং লোকবল থাকলে ডাকাতি প্রতিহতসহ জনসাধারণের যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের রেপিড রেসপন্স (দ্রুত সাড়াদান) অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd