মোঃ আল আমিন,বিশেষ প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নবগ্রামের কৃতী সন্তান, সমাজসেবক ও মালদ্বীপ প্রবাসী আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে নীরবে মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে এলাকাবাসীর প্রশংসা অর্জন করেছেন। প্রবাসে অবস্থান করেও তিনি নিজ জন্মভূমির অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা দিয়ে চলেছেন।
প্রয়াত সমাজসেবক মরহুম আবুল হোসেন হাসেম মিয়ার দ্বিতীয় সন্তান আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়া পেশাগত কারণে মালদ্বীপে বসবাস করলেও আধুনিক প্রযুক্তি ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নিয়মিত এলাকার খোঁজখবর রাখেন। প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি আর্থিক ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেন বিভিন্ন অসচ্ছল পরিবারের কাছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বহন, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, পবিত্র রমজানে খাদ্যসামগ্রী প্রদান এবং করোনা মহামারি ও সাম্প্রতিক বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকেই মানুষের জন্য কাজ করতে ভালোবাসেন আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়া। যেকোনো দুর্যোগ বা সংকটময় মুহূর্তে তিনি নীরবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
বুধবার বিকেলে বিশেষ প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়া বলেন, “মানুষের সেবা করার মধ্যেই প্রকৃত শান্তি ও তৃপ্তি রয়েছে। মহান আল্লাহ আমাকে যতটুকু সামর্থ্য দিয়েছেন, তা দিয়ে জন্মভূমির অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছি। আল্লাহ তায়ালা সুযোগ দিলে আজীবন ধানসিঁড়ি তথা কবিরহাটের মানুষের পাশে থাকতে চাই।”
এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, প্রবাসে থেকেও আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়ার মানবিক কর্মকাণ্ড দেশের অন্যান্য প্রবাসীদের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার এ সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সমাজের আরও বিত্তবান ও প্রবাসীদের মানবকল্যাণে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করবে।